মানুষ হচ্ছে পৃথিবী নামক গ্রহের সবথেকে আধুনিক জীব। আধুনিক মানুষের উদ্ভব প্রায় দশ হাজার বচ্ছর আগে। আদিম মানুষ যবে থেকে একত্রিত হয়ে বাসবাস করতে থাকল, আগুনের ব্যবহার শিখল তবে থেকেই মনব সভ্যতার আগ্রগতির শুভারম্ভ। মানুষ প্রথমে সাম্যের সমাজে বসবাস করত। সেখানে তার একসঙ্গে শিকার করতে যেত, শিকারের সবাই সমান ভাগ পেত, একসঙ্গে চাষবাস করত, তারও ভাগ সবাই সমান পেত। যবে থেকে দলপতি বা গোষ্টিপতির উদ্ভব হল তবে থেকেই পরিবর্তনের শুরু। যেসব ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা শক্তিশালী তারা সবার উপরে প্রভুত্ব শুরু করে এবং সম্পত্তির ব্যগ্তিগতকরণ করতে থাকে। যারা দূর্বল তারা কম সম্পত্তি পায়। তখনকর দিনে সম্পত্তি বলতে জমি বা গৃহপালিত পশুকেই বোঝায়। পরিষ্কার ভাবে সমাজের দুই মেরুকরন হতে থাকে। একদিকে সবল বা ধনী অপরদিকে দূর্বল বা গরীব।
মানুষ যথন সাম্যের সমাজে বসবাস করত তখন পূজা-অর্চনা করত। কিন্তু তাদের ধর্মীয় বিশ্বস এখনকার মতো হিন্দু, মুসলিম বা খ্রিষ্টানদের মত ঈশ্বর কেন্দ্রিক নয়। তারা এক এক প্রাকিতিক শক্তিকে তুষ্ট কারার জন্য পূজার্অচনা করত। তাদের এরকম কর্মকান্ডের পিচ্ছনে ভয়টা সবথেকে দায়ি ছিল। তারা বজ্রপাত, খরা, বন্যা বা বিভিন্ন জৈবিক শক্তি যথা বিভিন্ন বন্যপ্রানীকে তুষ্ট রাখার জন্যই এইসব ধার্মিক ক্রিয়াকলাপ করত। সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন এইসব ক্রিয়াকলাপের পিছনে এখনকার দিনের মতো কোন ঈশ্বর বিশ্বাস কাজ করেনা।
সমাজের মেরুকরনের কথা বলছিলাম। দুই মেরু এক ধনী দুই গরীব। সমাজের যারা ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছিল তারাই শাসক হয়ে উঠতে লাগল। দলপতি থেকে তারা হয়ে উঠল রাজা বা সম্রাট বা ইত্যাদি ইত্যাদি। এরাই ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য প্রচার করতে থাকল সমগ্র বিশ্বের নিয়ন্ত্রয়ক শক্তি হল ভগাবান বা ঈশ্বর আর তারা হল ঈশ্বরের দূত। আর এদের কাজকে সমর্থন করল ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় নিজেদের পাওনাপত্র বুঝে নেওযার জন্য। রাজা এবং ব্রাহ্মণরা মিলে সমাজকে শোষণ করার জন্য এবং সাধারন মানুষকে আসল সত্য থেকে দুরে রাথার জন্য বিভিন্ন রকমপ্রথা-সংস্কার, রীতি-নীতি সাধারন মানুষের উপরে চাপাতে থাক। ধর্মের সূচনা এইখান থেকেই। পৃথিবীর প্রত্যেক ধর্মের শুরু শোষণের হাত ধরে। আজও ধর্মের এই নীতি অপরিবর্তিত আছে। রাজার স্থানে এসছে রাজনৈতিক দল, পাটিকর্মি, সরকার আর ব্রহ্মণের স্থানে সরকারের চারপাশে ঘিরে থাকা পুজিবাদী এবং ধনী সম্প্রদায়। এরা প্রত্যক্ষ্য এবং পরোক্ষ ভাবে ধর্ম নামক শোষণের হাতিয়ারকে মজবুত করে চলেছে। ঈশ্বর, ভাগ্য, পরোলোক, আত্মা, স্বর্গ, নরক ইত্যদি বিশ্বাসকে বাঁচিয়ে রাখতে ঢালাও প্রচারে করেচলেছে, এর জন্য তারা প্রিন্ট এবং ইলেকট্টনিক মিডিয়াকে ব্যরহার করে চলেছে। মানুষকে ভাববাদীতে পরিনত করেছে, সাধারন মানুষকে কোনটা সত্য সেটা জনতে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের পঙ্গু করে রাখা হচ্ছে।
যুক্তি বলছে ধর্ম কোন অলৌকিক বা কাল্পনিক বিষয়ের উপর বিষয়ের দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। ধর্ম বলতে কোন কিছুর গুন বা বৈশিষ্ট্য বলল্লে সেটা যুক্তিযুক্ত হয়। যেমন চুম্বকের ধর্ম চুম্বক্ত, পশুর ধর্ম পশুত্ব তেমনি মানুষের ধর্ম মানুষ্যত্ব বা মানবতাবাবাদ। সাধারন মানুষ যদি একটু গভীর ভাবে ভাবে, বইপত্র পড়ে, ইনটারনেট সর্ফ করে তাহলে সেদিন আর দূরে নেই যেদিন তার ধর্মের স্থানে মানুষ্যত্ব বা মানমবতাবাদই লিখবে তথাকথিত হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান না লিখে। সেদিন আর দূরে নেই সমগ্রমানব সমাজ এই সব কুসংকারচ্ছন্ন, অলৌকিক মিথ্যাভাষনে পরিপূর্ন শোষকের হাতিয়ার হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান প্রভৃতি ধর্ম দূরে সরিয়ে দেবে।
মানুষ যথন সাম্যের সমাজে বসবাস করত তখন পূজা-অর্চনা করত। কিন্তু তাদের ধর্মীয় বিশ্বস এখনকার মতো হিন্দু, মুসলিম বা খ্রিষ্টানদের মত ঈশ্বর কেন্দ্রিক নয়। তারা এক এক প্রাকিতিক শক্তিকে তুষ্ট কারার জন্য পূজার্অচনা করত। তাদের এরকম কর্মকান্ডের পিচ্ছনে ভয়টা সবথেকে দায়ি ছিল। তারা বজ্রপাত, খরা, বন্যা বা বিভিন্ন জৈবিক শক্তি যথা বিভিন্ন বন্যপ্রানীকে তুষ্ট রাখার জন্যই এইসব ধার্মিক ক্রিয়াকলাপ করত। সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন এইসব ক্রিয়াকলাপের পিছনে এখনকার দিনের মতো কোন ঈশ্বর বিশ্বাস কাজ করেনা।
সমাজের মেরুকরনের কথা বলছিলাম। দুই মেরু এক ধনী দুই গরীব। সমাজের যারা ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছিল তারাই শাসক হয়ে উঠতে লাগল। দলপতি থেকে তারা হয়ে উঠল রাজা বা সম্রাট বা ইত্যাদি ইত্যাদি। এরাই ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য প্রচার করতে থাকল সমগ্র বিশ্বের নিয়ন্ত্রয়ক শক্তি হল ভগাবান বা ঈশ্বর আর তারা হল ঈশ্বরের দূত। আর এদের কাজকে সমর্থন করল ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় নিজেদের পাওনাপত্র বুঝে নেওযার জন্য। রাজা এবং ব্রাহ্মণরা মিলে সমাজকে শোষণ করার জন্য এবং সাধারন মানুষকে আসল সত্য থেকে দুরে রাথার জন্য বিভিন্ন রকমপ্রথা-সংস্কার, রীতি-নীতি সাধারন মানুষের উপরে চাপাতে থাক। ধর্মের সূচনা এইখান থেকেই। পৃথিবীর প্রত্যেক ধর্মের শুরু শোষণের হাত ধরে। আজও ধর্মের এই নীতি অপরিবর্তিত আছে। রাজার স্থানে এসছে রাজনৈতিক দল, পাটিকর্মি, সরকার আর ব্রহ্মণের স্থানে সরকারের চারপাশে ঘিরে থাকা পুজিবাদী এবং ধনী সম্প্রদায়। এরা প্রত্যক্ষ্য এবং পরোক্ষ ভাবে ধর্ম নামক শোষণের হাতিয়ারকে মজবুত করে চলেছে। ঈশ্বর, ভাগ্য, পরোলোক, আত্মা, স্বর্গ, নরক ইত্যদি বিশ্বাসকে বাঁচিয়ে রাখতে ঢালাও প্রচারে করেচলেছে, এর জন্য তারা প্রিন্ট এবং ইলেকট্টনিক মিডিয়াকে ব্যরহার করে চলেছে। মানুষকে ভাববাদীতে পরিনত করেছে, সাধারন মানুষকে কোনটা সত্য সেটা জনতে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের পঙ্গু করে রাখা হচ্ছে।
যুক্তি বলছে ধর্ম কোন অলৌকিক বা কাল্পনিক বিষয়ের উপর বিষয়ের দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। ধর্ম বলতে কোন কিছুর গুন বা বৈশিষ্ট্য বলল্লে সেটা যুক্তিযুক্ত হয়। যেমন চুম্বকের ধর্ম চুম্বক্ত, পশুর ধর্ম পশুত্ব তেমনি মানুষের ধর্ম মানুষ্যত্ব বা মানবতাবাবাদ। সাধারন মানুষ যদি একটু গভীর ভাবে ভাবে, বইপত্র পড়ে, ইনটারনেট সর্ফ করে তাহলে সেদিন আর দূরে নেই যেদিন তার ধর্মের স্থানে মানুষ্যত্ব বা মানমবতাবাদই লিখবে তথাকথিত হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান না লিখে। সেদিন আর দূরে নেই সমগ্রমানব সমাজ এই সব কুসংকারচ্ছন্ন, অলৌকিক মিথ্যাভাষনে পরিপূর্ন শোষকের হাতিয়ার হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান প্রভৃতি ধর্ম দূরে সরিয়ে দেবে।